ওয়াশা চট্টগ্রাম, সুয়ারেজ করেনি।

Thursday, 24 March 2022

 ঢাকা শহরের নালাতে এটা কি মাছ পাওয়া যায় আমার চট্টগ্রামে নালাই জলজ উদ্ভিদ পাওয়া যায় না কারণ তো সহজ চট্টগ্রাম সুয়ারেজ করেনি মলমূত্রের ময়লা সিটি কর্পোরশন আলা এসে পড়ে ফলে কোন জলজ প্রাণী জলজ উদ্ভিদ এসব নালায় বেঁচে থাকতে পারে না প্রতি সাপ্তাহে সিটি কর্পোরেশনের সেবকরা এই নালা থেকে যে কাল মাটিগুলো উত্তোলন করে থাকে সেগুলো হচ্ছে সুয়ারেজের মাটি।পরিবেশের ক্ষতির জন্য চট্টগ্রাম ওয়াশা দায়ী।

শিগগিরই প্রকাশ হতে যাচ্ছে দুধের বালক

Wednesday, 22 December 2021

 


শহরের ছেলে মেয়েরা বাথটাব ঝর্ণা গোসল করে অভ্যস্ত। তারা পুকুরে নদীতে ডুব দেওয়া সম্পর্কে তাদের কোনো জ্ঞান বা শারীরিক কৌশল জানা নাই। সাঁতার ক্লাব প্রথমে শিশুটিকে ডুব দেওয়া সম্পর্কে কিছু জ্ঞান দান করে বালতিতে কয়েক সেকেন্ডের জন্য মুখমণ্ডল ডুবিয়ে রাখা তারপর আস্তে আস্তে তাদেরকে আমরা পানিতে নামাই।তার দুজন সাঁতারু থাকে, সাথে লাইফ সাপোর্ট এর লাইফ জ্যাকেট এবং বয়া থাকে এইভাবে২০১৭ সাল থেকেই আমাদের সাঁতার ক্লাব সাঁতার শিখিয়ে যাচ্ছে







 

শিরদাঁড়া শিরদাঁড়া সোজা করো ভদ্রতা আপাতত রুখো এগিয়ে মন দাবি নিয়ে বিচলিত কেন? অধিকার আদায়ে। এটা তোমার ন্যায্য কত বেড়েছে তার বাড় বঞ্চিত করে পেয়েছে পার। হে পথিক দাড়াও সোজা হয়ে হে বীর ন্যায়ের পথে হাত বাড়ায়ে রাষ্ট্রের পোষাকের আড়ালে ডাকাতরা পরেছে মূখোশ বেতনভাতা সবি নিয়ে আছে বেশ। পকেট তাজা ধ্বংস করে দেশ

Sunday, 29 August 2021


 শিরদাঁড়া 


শিরদাঁড়া সোজা করো

ভদ্রতা আপাতত রুখো

এগিয়ে মন দাবি নিয়ে

বিচলিত কেন?

 অধিকার আদায়ে।

এটা তোমার ন্যায্য

কত বেড়েছে তার বাড়

বঞ্চিত করে পেয়েছে পার।


হে পথিক দাড়াও সোজা হয়ে

হে বীর ন্যায়ের পথে হাত বাড়ায়ে

রাষ্ট্রের পোষাকের আড়ালে 

ডাকাতরা পরেছে মূখোশ

বেতনভাতা সবি নিয়ে আছে বেশ।

পকেট তাজা ধ্বংস করে দেশ

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3861151857318392&id=100002708460823

এরা ফিরবে সেই আশায় সজন

 


তৃষিত হৃদয় ওচমান জাহাঙ্গীর।

Saturday, 17 April 2021


সুন্দর পৃথিবীর মনোরম আজি 

পূর্ণিমার আকাশে  মাধুবী চাঁদ,

 কেউ কাছে ছিলনা হতে সাথী,

হয়নি প্রাচীন প্রেমের কথার মালার সাদ। 


এমন রাতে কত কামনা, নিরব মনের বাসনা

উতলা মেঘ পরক্ষণে চাঁদ ঢেকে রাখে

অাবার যায় সরে, মেঘদেবতা অানমনে,

আমার নয়নে ঘুম নেই একাকী চিত্তে।


ঝরেপড়ে মিষ্টি কথার ফুলঝুরি 

নিয়ম ভাঙা নিয়ম প্রতিঘাত এলো বুঝি। 

দুরের আর্তনাদে কোন মানসীর ক্রন্দন,

মুখোমুখি বসিবার নয়নে নয়ন।

জোছনা মাখা কিরণ দেখেনি সে মূখ,

তৃষিত হৃদয় জ্বেলে আলো, দেয়নি সূখ।


অন্ধ নিভিড়  আকাশের চাঁদের  সেই চোখ

স্মৃতিতে গাঁথা খোঁজে ফিরে হারানো সূখ।

নয়নে কোণে অশ্রু জল, করে টলমল,

মন কি চায়? সে কি ফিরে পায়।


ভুলিতে পারিনা কিছুতেই

পৃথিবীর দিনগুলো বারে বারে ফিরে আসে

 সে কিন্তু  ফিরেনি নদীর স্রোত মতই

হৃদয়ের দীর্ঘশ্বাস অদৃশ্য বাতাসে ভাসে।

 

৬/৪/২০২০ইং

osman zahangir poem ওসমান জাহাঙ্গীরের কবিতা

Monday, 15 June 2020


 osman zahangir  poem
ওসমান জাহাঙ্গীরের কবিতা

6-6-2020
পোষাকী শকুন
ঝরা পাতার মতন
দুনিয়ার পথের জীবন
কখন যে ঝরে পড়ি
তা কী জানি,
তবুও নিয়তিকে মানি,

যেমনি এ পৃথিবীতে ছিলাম না
তেমনি কিছু সময় পর থাকবো না
ভবের বাজারে দুদিনের মুসাফির
সম্মানে বাঁচিতে, গরীবে হালতে না মরিতে,
আল্লাহ দরবারে প্রার্থনায় এ আর্জির।
বেঁচে আছি স্বপ্ন নিয়ে
মোমের আলো জ্বালিয়ে
দমকা হাওয়ায় নিভু নিভু
ভালোবাসার বিবর্ণ জীবণে
অপেক্ষার প্রহর গুনে গুনে।
প্রেমহীন নরপতির নগরে
সূখ বিলাস কখনো কী মন ভরে?,
জীবনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য দানবের আগ্রাসন,
নরপিশাচ মানুষ্যে আদলে পোশাকী শকুন,
দানবের আস্ফালন
ওচমান জাহাঙ্গীর
দাবনের আস্ফালনে' সবাই নত।
ভয়ে চাটুকার -তোষামোদি কত?
বড় নয় ছোট পর্দায়-
নাটক শত শত।
পুরান ধানে ভাতে বাড়ে
সেই গল্প পুনরায় ঘটে।

জৈষ্ঠের রাতে 'কালো মেঘ,
বিজলী জিরিন আলোর ছেদ।
সেই রক্তের সাথে অশ্রূ গড়ায়
শত মা বোনের আহাজারির কান্নায়।
শোকের বিলাপে ঘরবাড়ি নাড়ায়।
অপঘাতে এতো মৃত্যু
আমি খুব ক্ষিপ্ত।
দেবদুতের হাসি'তে প্রহসন
প্রতিবাদে করি যাই অনশন।
মেঘের আড়ালে, আকাশের তারা
উকি দেয়,আত্মা হয়ে গেছে যারা!
নির্মমতা আঘাতে- গিয়েছিল মারা।
বজ্র হানে'ধরণী লয়ে
উলকা হয়ে পড়ে,
নিপিড়িতদের গায়ে।
আত্মার অভিশাপ
আসবে' ধাপে ধাপ।
দেবালয়ে কৃষ্ণের বাশির সুরে
সেইদিন কেউ কাঁদিবেনা।
দেবীর আকাশ পানে,
যাওয়ার কথা শুনে।
কেউ আসিবেনা,
বিদায় দিতে।
মানবতা সেই দিন আবার হাসিবে
হিরা পান্না চুন্নি ঘুনঘুর নিয়ে নাচিবে
হারানো আপনদের বিদেহীর লাগি
সারা জীবন কাঁদিবে।
 তোমার অপেক্ষায়
10 june2020
ওচমান জাহাঙ্গীর,
ভালোবাসা কখনো বুড়িয়ে যায়?
দেহখানি ক্ষয় হয়ে যায়,তোমার অপেক্ষায়,
আমি থাকি মহেশখালীর পাহাড়ের বুকে
তুমি থাক বদরখালীর প্যারাবনের কুলে
মাঝখানে দেবতলী স্রোতধারা
তুমি তো পূবের হওয়া
রংধনু আকাশ ছোয়া
আমার সকাল বেলা
আমি তো পশ্চিমা হওয়া
বিজলী আকরে ছড়িয়ে যাওয়া
তোমার বিকেল বেলা
দু মানবির যাপিত জীবনে দিনে বয়ে যাওয়া।

মেঘে কোলে ভেসে সূদুর বাতায়নে
কতযুগ পেরুলো হয়নি নয়নে নয়নে
স্মৃতির বায়োস্কোপে কেন আসো শয়নে?
পাগলা হওয়ায় আমার দীর্ঘশ্বাস ছড়িয়ে
কেমন আছো জানতে চাও হৃদয় মাড়িয়ে?
তোমারি বিরহে ঘরবাড়ি নাড়ায়
যদি ভালোবাসার হাত বাড়ায়,
এই আশা এখনো আছি
অনেক দায়িত্বের মাঝেও তোমার জন্য বাঁচি।
সাগর কন্যা মহেশখালী ধূসর পাহাড়ে
আমার বসতি, শতাব্দীর জুড়ে,
তুমি থাকো প্যারাবনে
বসত ভিটা জনমের তরে,
ঐ আটালো মাটি মমতায় ভরা মূখ খানি
দেবতলী ভাটির স্রোতে বৈঠা উজানে টানি
তোমারি অপেক্ষায় যখনি থাকি।
১৬ মার্চ লেখা২০১৭

প্রেমের ছাড়পত্র
ওচমান জাহাঙ্গীর

আলোর ফ্রেমে
দুই জীবনের বসতি,
সবুজ ঘাসে শিশিরের
ক্ষণ জীবন,
তবুও
মনের দিগন্ত জুড়ে
স্বপ্নের বেসাতি
সবই সইতে হয়
প্রেমের ছাড়পত্র
পেয়েছি বলে।

আজো ভাবি বসি মনে,
কানে কানে যে কথা বলেছিলো
হৃদয়ের সুপ্ত বাসনা পেখম মেললো,
শত কবিতার ঝর্নায়,
উদাস হয়ে আকাশ পানে তাকা,
সন্ধ্যা রাতের তারা শত নিহারিকা
চোখের পলকে স্মৃতির বায়োস্কোপে,
জানি আমার কথা তুমি কি জানবে?
না, জানবে না।
তুমি অনেক দুরের বাসিন্দা,
যেখানে আমার কোন অস্তিত্ব নেই।
কয়েক যুগে পেতোছো সংসার
জীবনের মোহে অন্তিম কারাগার,
বেশতো কাটিয়েছো এ যাবৎ জীবনের সাজা
আমিও সেই সংসারে এক মহান রাজা।

ছবিটি তুলেছে কাব্য সৌরভ,মহেশখালী থেকে ।
আষাঢ়ের প্রথম প্রহরে
-----------------------------ওচমান জাহাঙ্গীর
আষাঢ়ের প্রথম প্রহরে
কদম ফুটেনি বৃষ্টি হয়নি বলে,
আষাড়ের প্রথম দিনে
এক পসলা বৃষ্টি শেষ বিকেলে,
সারা দিন মেঘে মেঘে বেলা শেষে
গুটি গুটি ফোঁটা নিয়ে বৃষ্টি এলো
অবশেষে
ঘুমোট ভরা মেঘ ভাসে,
আকাশ কালো মেঘে
সন্ধে তারার দেখা মিলে?
মেঘের কালো আবরণে
বৃষ্টিকে বলি এত দেরী কেন
আয় তরা করে,
মুচে যাক দিয়ে তোর পানি
জীবনের যত গ্লানি।

ওসমান জাহাঙ্গীরের কবিতা

Thursday, 20 February 2020

আমার আর্জি উর্দ্ধে আকাশে
ওচমান জাহাঙ্গীর
আমার আর্জি আজ ছড়িয়ে দিলাম উর্দ্ধে আকাশে
আমার অস্থিরতার দীর্ঘশ্বাস ভাসে মলিন বাতাসে।
আমার মা থাকে,দুর আকাশে,
অনেকগুলো তারার মাঝে
মা যদি থাকতো বেঁচে,
এমন অবিচার হতো?আমার মাঝে।

দেড়যুগ অভিশাপের বালাই, বলে চালাই
আমার জরা, ক্ষুধা,অর্থের লাগি অস্থিরতায়,
আমার অশ্রুজল ক্ষমা করেনি তারা,
শুধু বঞ্চিত করার কত কৌশলে সারা,
নির্ভরতার আপনজন! সেও নেয় পক্ষে,
এ দুখু কইবো কারে?লালনে এ বক্ষে।
দরিদ্রতা আমার কপালে এঁটে,
হায়রে আমার সম্পদ! আছে বটে,
এক বঞ্চনার যাতাকলে
আমাকে বারে বারে মারিলে,
দিনে দিনে দ্ররিদ্র করিলে,
দীর্ঘশ্বাস ছড়িয়ে যায় উর্দ্ধে আকাশে
অশ্রুজল গড়িয়ে নিম্মে ধরণী তলে,