Home » » osman zahangir poem ওসমান জাহাঙ্গীরের কবিতা

osman zahangir poem ওসমান জাহাঙ্গীরের কবিতা

Written By grameenphoto on Monday, 15 June 2020 | 00:13


 osman zahangir  poem
ওসমান জাহাঙ্গীরের কবিতা

6-6-2020
পোষাকী শকুন
ঝরা পাতার মতন
দুনিয়ার পথের জীবন
কখন যে ঝরে পড়ি
তা কী জানি,
তবুও নিয়তিকে মানি,

যেমনি এ পৃথিবীতে ছিলাম না
তেমনি কিছু সময় পর থাকবো না
ভবের বাজারে দুদিনের মুসাফির
সম্মানে বাঁচিতে, গরীবে হালতে না মরিতে,
আল্লাহ দরবারে প্রার্থনায় এ আর্জির।
বেঁচে আছি স্বপ্ন নিয়ে
মোমের আলো জ্বালিয়ে
দমকা হাওয়ায় নিভু নিভু
ভালোবাসার বিবর্ণ জীবণে
অপেক্ষার প্রহর গুনে গুনে।
প্রেমহীন নরপতির নগরে
সূখ বিলাস কখনো কী মন ভরে?,
জীবনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য দানবের আগ্রাসন,
নরপিশাচ মানুষ্যে আদলে পোশাকী শকুন,
দানবের আস্ফালন
ওচমান জাহাঙ্গীর
দাবনের আস্ফালনে' সবাই নত।
ভয়ে চাটুকার -তোষামোদি কত?
বড় নয় ছোট পর্দায়-
নাটক শত শত।
পুরান ধানে ভাতে বাড়ে
সেই গল্প পুনরায় ঘটে।

জৈষ্ঠের রাতে 'কালো মেঘ,
বিজলী জিরিন আলোর ছেদ।
সেই রক্তের সাথে অশ্রূ গড়ায়
শত মা বোনের আহাজারির কান্নায়।
শোকের বিলাপে ঘরবাড়ি নাড়ায়।
অপঘাতে এতো মৃত্যু
আমি খুব ক্ষিপ্ত।
দেবদুতের হাসি'তে প্রহসন
প্রতিবাদে করি যাই অনশন।
মেঘের আড়ালে, আকাশের তারা
উকি দেয়,আত্মা হয়ে গেছে যারা!
নির্মমতা আঘাতে- গিয়েছিল মারা।
বজ্র হানে'ধরণী লয়ে
উলকা হয়ে পড়ে,
নিপিড়িতদের গায়ে।
আত্মার অভিশাপ
আসবে' ধাপে ধাপ।
দেবালয়ে কৃষ্ণের বাশির সুরে
সেইদিন কেউ কাঁদিবেনা।
দেবীর আকাশ পানে,
যাওয়ার কথা শুনে।
কেউ আসিবেনা,
বিদায় দিতে।
মানবতা সেই দিন আবার হাসিবে
হিরা পান্না চুন্নি ঘুনঘুর নিয়ে নাচিবে
হারানো আপনদের বিদেহীর লাগি
সারা জীবন কাঁদিবে।
 তোমার অপেক্ষায়
10 june2020
ওচমান জাহাঙ্গীর,
ভালোবাসা কখনো বুড়িয়ে যায়?
দেহখানি ক্ষয় হয়ে যায়,তোমার অপেক্ষায়,
আমি থাকি মহেশখালীর পাহাড়ের বুকে
তুমি থাক বদরখালীর প্যারাবনের কুলে
মাঝখানে দেবতলী স্রোতধারা
তুমি তো পূবের হওয়া
রংধনু আকাশ ছোয়া
আমার সকাল বেলা
আমি তো পশ্চিমা হওয়া
বিজলী আকরে ছড়িয়ে যাওয়া
তোমার বিকেল বেলা
দু মানবির যাপিত জীবনে দিনে বয়ে যাওয়া।

মেঘে কোলে ভেসে সূদুর বাতায়নে
কতযুগ পেরুলো হয়নি নয়নে নয়নে
স্মৃতির বায়োস্কোপে কেন আসো শয়নে?
পাগলা হওয়ায় আমার দীর্ঘশ্বাস ছড়িয়ে
কেমন আছো জানতে চাও হৃদয় মাড়িয়ে?
তোমারি বিরহে ঘরবাড়ি নাড়ায়
যদি ভালোবাসার হাত বাড়ায়,
এই আশা এখনো আছি
অনেক দায়িত্বের মাঝেও তোমার জন্য বাঁচি।
সাগর কন্যা মহেশখালী ধূসর পাহাড়ে
আমার বসতি, শতাব্দীর জুড়ে,
তুমি থাকো প্যারাবনে
বসত ভিটা জনমের তরে,
ঐ আটালো মাটি মমতায় ভরা মূখ খানি
দেবতলী ভাটির স্রোতে বৈঠা উজানে টানি
তোমারি অপেক্ষায় যখনি থাকি।
১৬ মার্চ লেখা২০১৭

প্রেমের ছাড়পত্র
ওচমান জাহাঙ্গীর

আলোর ফ্রেমে
দুই জীবনের বসতি,
সবুজ ঘাসে শিশিরের
ক্ষণ জীবন,
তবুও
মনের দিগন্ত জুড়ে
স্বপ্নের বেসাতি
সবই সইতে হয়
প্রেমের ছাড়পত্র
পেয়েছি বলে।

আজো ভাবি বসি মনে,
কানে কানে যে কথা বলেছিলো
হৃদয়ের সুপ্ত বাসনা পেখম মেললো,
শত কবিতার ঝর্নায়,
উদাস হয়ে আকাশ পানে তাকা,
সন্ধ্যা রাতের তারা শত নিহারিকা
চোখের পলকে স্মৃতির বায়োস্কোপে,
জানি আমার কথা তুমি কি জানবে?
না, জানবে না।
তুমি অনেক দুরের বাসিন্দা,
যেখানে আমার কোন অস্তিত্ব নেই।
কয়েক যুগে পেতোছো সংসার
জীবনের মোহে অন্তিম কারাগার,
বেশতো কাটিয়েছো এ যাবৎ জীবনের সাজা
আমিও সেই সংসারে এক মহান রাজা।

ছবিটি তুলেছে কাব্য সৌরভ,মহেশখালী থেকে ।
আষাঢ়ের প্রথম প্রহরে
-----------------------------ওচমান জাহাঙ্গীর
আষাঢ়ের প্রথম প্রহরে
কদম ফুটেনি বৃষ্টি হয়নি বলে,
আষাড়ের প্রথম দিনে
এক পসলা বৃষ্টি শেষ বিকেলে,
সারা দিন মেঘে মেঘে বেলা শেষে
গুটি গুটি ফোঁটা নিয়ে বৃষ্টি এলো
অবশেষে
ঘুমোট ভরা মেঘ ভাসে,
আকাশ কালো মেঘে
সন্ধে তারার দেখা মিলে?
মেঘের কালো আবরণে
বৃষ্টিকে বলি এত দেরী কেন
আয় তরা করে,
মুচে যাক দিয়ে তোর পানি
জীবনের যত গ্লানি।

0 comments:

Post a Comment