মানবাধিকার সংগঠন অধিকার চট্টগ্রাম এইচআরডি নেটওয়ার্ক আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস ২০১৪ উপলক্ষে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেছেন, দেশে আলোকিত জীবনের জন্য নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। এই ক্ষেত্রে সর্বোপরি শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে নারী শিক্ষা ও নারীকে কৌশলগত সুশিক্ষায় এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। নারীকে চার দেয়ালের বন্দি বস্তু হিসেবে দেখার সুযোগ আর নেই।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নারী নেতৃত্বের কারণে আজকের আলোকিত বিশ্ব অবাক চোখে তাকিয়ে আছেন। নারীর সাফল্যের কারণে আজকের পুরুষরা গর্বিত অংশীদার। আমাদের জেনে রাখা দরকার, পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় নারীর পদস্পর্শে বিশ্ববাসীকে নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছেন। তবুও আজকের সমাজে নারীর অবহেলিত, নির্যাতিত। নারীর উন্নয়ন, নির্যাতন এই নিয়ে দেশে যথার্থ আইন রয়েছে। কিন্তু প্রয়োগের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা মানুষের নজরে আসে বারে বারে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে মহান সংসদে আইন প্রণয়ন করা হলেও প্রয়োগ নীতির কারণে নারী নির্যাতনের ঘটনা আশংকাজনকভাবে বেড়েই চলেছে। এই বিষয়ে জনসচেতনতা, ঘরে ঘরে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সর্বোপরি শিক্ষা বিদ্যাপীঠে সচেতনতার জন্য গুরুত্ব দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসে তালিম দিতে হবে। নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পারিবারিক শিক্ষাই উত্তম শিক্ষা।
২৫ নভেম্বর বিকেলে ওয়াসার মোড়স্থ প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সম্মুখে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে অধিকারের ফোকাল পারসন ওসমান জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে এই মানববন্ধন কর্মসূচিতে একাত্মতা ঘোষণা করে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি ও মানবাধিকার কমিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মিসেস সিতারা গাফফার, মানবাধিকার কমিশন উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এন এম আনোয়ার, চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সোহেল মোহাম্মদ ফখরুদ-দীন, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মহাসচিব, প্রাবন্ধিক ও লেখক এম নাজিম উদ্দিন চৌধুরী এ্যানেল, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও কবি মাহবুব শাহ, নারী নেত্রী সাইমা হক, মানবাধিকার কর্মী ফৌজিয়া আকতার লোটন, মনজুরুল ইসলাম মাস্টার, ব্যাংকার আবু হেনা মোস্তফা কামাল, আবু সাদেক, মো. আমজাদ হোসেন, দুর্জয় মুৎসুদ্দী, আজম খান, অধ্যক্ষ ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য বলাই, মো. জিয়াউল হক ইমন, হুমায়রা জান্নাত হিমালি, লেখক আবদুল্লাহ মজুমদার, মোহাম্মদ সাজ্জাদুল করিম রিঙ্কু, সন্দ্বীপের অধিকার কর্মী মোহাম্মদ দিদারুল আলম, মোহাম্মদ ইমরান সোহেল, তসলিমা আকতার, মাহবুবুল আলম, মনছুর উদ্দিন আহমদ, নাসরিন আকতার নাহিদা প্রমুখ।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নারী নেতৃত্বের কারণে আজকের আলোকিত বিশ্ব অবাক চোখে তাকিয়ে আছেন। নারীর সাফল্যের কারণে আজকের পুরুষরা গর্বিত অংশীদার। আমাদের জেনে রাখা দরকার, পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় নারীর পদস্পর্শে বিশ্ববাসীকে নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছেন। তবুও আজকের সমাজে নারীর অবহেলিত, নির্যাতিত। নারীর উন্নয়ন, নির্যাতন এই নিয়ে দেশে যথার্থ আইন রয়েছে। কিন্তু প্রয়োগের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা মানুষের নজরে আসে বারে বারে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে মহান সংসদে আইন প্রণয়ন করা হলেও প্রয়োগ নীতির কারণে নারী নির্যাতনের ঘটনা আশংকাজনকভাবে বেড়েই চলেছে। এই বিষয়ে জনসচেতনতা, ঘরে ঘরে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সর্বোপরি শিক্ষা বিদ্যাপীঠে সচেতনতার জন্য গুরুত্ব দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসে তালিম দিতে হবে। নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পারিবারিক শিক্ষাই উত্তম শিক্ষা।
২৫ নভেম্বর বিকেলে ওয়াসার মোড়স্থ প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সম্মুখে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে অধিকারের ফোকাল পারসন ওসমান জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে এই মানববন্ধন কর্মসূচিতে একাত্মতা ঘোষণা করে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি ও মানবাধিকার কমিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মিসেস সিতারা গাফফার, মানবাধিকার কমিশন উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এন এম আনোয়ার, চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সোহেল মোহাম্মদ ফখরুদ-দীন, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মহাসচিব, প্রাবন্ধিক ও লেখক এম নাজিম উদ্দিন চৌধুরী এ্যানেল, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও কবি মাহবুব শাহ, নারী নেত্রী সাইমা হক, মানবাধিকার কর্মী ফৌজিয়া আকতার লোটন, মনজুরুল ইসলাম মাস্টার, ব্যাংকার আবু হেনা মোস্তফা কামাল, আবু সাদেক, মো. আমজাদ হোসেন, দুর্জয় মুৎসুদ্দী, আজম খান, অধ্যক্ষ ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য বলাই, মো. জিয়াউল হক ইমন, হুমায়রা জান্নাত হিমালি, লেখক আবদুল্লাহ মজুমদার, মোহাম্মদ সাজ্জাদুল করিম রিঙ্কু, সন্দ্বীপের অধিকার কর্মী মোহাম্মদ দিদারুল আলম, মোহাম্মদ ইমরান সোহেল, তসলিমা আকতার, মাহবুবুল আলম, মনছুর উদ্দিন আহমদ, নাসরিন আকতার নাহিদা প্রমুখ।


0 comments:
Post a Comment