মানবাধিকার সংগঠন অধিকার চট্টগ্রাম এইচআরডি নেটওয়ার্ক আয়োজিত
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে র্যালী পূর্ব মানববন্ধন সমাবেশে
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেছেন রাষ্ট্রকে নিপীড়ন বন্ধ করে গণতন্ত্রচর্চায় সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে, মানবাধিকার লংঘন করে রাষ্ট্র কখনো গণতন্ত্রের পথে
এগিয়ে যায় না এবং বল প্রয়োগ গণতন্ত্রের ভাষা হতে পারে না । ভিন্নমত
পোষণকারীদের দমনপীড়ন না করে অন্যের মতকে সম্মান করে পোষাকী গণতন্ত্রের
পরিবর্তে সুস্থধারার গণতন্ত্রের পথ উম্মুক্ত করতে পারলে তাতে মানবাধিকার
প্রতিষ্টা লাভ করবে। অধিকারের কর্মী এ্যাডভোকেট জুনাইদ এর সভাপতিত্বে গত ১০
ডিসেম্বর সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে অধিকার মানববন্ধন ও
র্যালী অনুষ্ঠিত হয় । র্যালীতে উপস্থিত ছিলেন,সাংবাদিক জাহেদুল করিম
কচি,ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সোহেল মো. ফখরুদ্দীন,অমর কান্তি
দত্ত,মানবাধিকারকর্মী মন্জুরুল ইসলাম,ফৌজিয়া আক্তার লোটন, আবসার রশিদ
আইয়ুব, ইমরান সোহেল,আজম খান, মীর বরকত হোসেন,লিও মো জিয়াউল হক,
মো. জাসেম চৌধুরী,এ্যাড.শফিক,এ্যাড.সাকিব,এ্যাড.শফিক,এ্যাড.তারেক শহিদুজ্জামান,কাশেম চৌধুরী,মিজবাউল আলম জিয়াউল হক ইমন,পরিবহন চালক সংগঠনের পক্ষে আনোয়ার হোসেন, মো. সাইফুল ইসলাম,যাত্রী কল্যাণ পরিষদের রুহুল আমিন,সন্দীপের অধিকারের ডিফেন্ডার ওচমান জাহাঙ্গীর, দিদারুল আলম,প্রমূখ । র্যালী পূর্ব সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে কিছু মানবাধিকার সংগঠন ঢাকঢোল বাজনা বাজিয়ে মাথায় রঙ্গিন প্লেকার্ড পরিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে উৎসব পালন করে এখনো মানবাধিকার দিবস নিয়ে উৎসব করার মতো সময় আসেনি যেহেতু বাংলাদেশে প্রতি মূহুর্তে মানবাধিকার লংঘন হচ্ছে। মানবাধিকার দিবস নিয়ে উৎসব করা মানে মানবাধিকার বঞ্চিত ভিকটিমদের হেয় করা । সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শেষে একটি র্যালী জামাল খান হয়ে শহীদ মিনারে এস শেষ হয়
মো. জাসেম চৌধুরী,এ্যাড.শফিক,এ্যাড.সাকিব,এ্যাড.শফিক,এ্যাড.তারেক শহিদুজ্জামান,কাশেম চৌধুরী,মিজবাউল আলম জিয়াউল হক ইমন,পরিবহন চালক সংগঠনের পক্ষে আনোয়ার হোসেন, মো. সাইফুল ইসলাম,যাত্রী কল্যাণ পরিষদের রুহুল আমিন,সন্দীপের অধিকারের ডিফেন্ডার ওচমান জাহাঙ্গীর, দিদারুল আলম,প্রমূখ । র্যালী পূর্ব সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে কিছু মানবাধিকার সংগঠন ঢাকঢোল বাজনা বাজিয়ে মাথায় রঙ্গিন প্লেকার্ড পরিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে উৎসব পালন করে এখনো মানবাধিকার দিবস নিয়ে উৎসব করার মতো সময় আসেনি যেহেতু বাংলাদেশে প্রতি মূহুর্তে মানবাধিকার লংঘন হচ্ছে। মানবাধিকার দিবস নিয়ে উৎসব করা মানে মানবাধিকার বঞ্চিত ভিকটিমদের হেয় করা । সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শেষে একটি র্যালী জামাল খান হয়ে শহীদ মিনারে এস শেষ হয়


0 comments:
Post a Comment