Home » » মহেশখালীর একজন ডাক্তার ডা. মনসুর আহমদ

মহেশখালীর একজন ডাক্তার ডা. মনসুর আহমদ

Written By grameenphoto on Friday, 12 December 2014 | 06:16


মহেশখালীর একজন ডাক্তার ডা. মনসুর আহমদ তিনি একাধারে সমাজ সেবক । জীবনের বেশির ভাগ সময় মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেছে ।মানুষের কল্যাণ করতে গিয়ে কিছু দুর্বত্তের কবলে পড়ে কয়েকটি হত্যা মামলায় জড়িয়ে ১৯৮৭ সাল থেকে ২০০৪সাল পর্যন্ত জেলহাত, কোটহাচারী জীবনের মূল্যবান সময়গুলোকে বিসজর্ন দিতে হয়য়েছে। নিজের মাতৃভূমির জন্য কত কি করেছে এখনো করে যাচ্ছে । ১৯৭৪ সালে মহেশখালী সর্ব উত্তরে ধোয়াঘাট প্রতিষ্টা করেন, যেখানে আগে ষ্টীমার দাড়াতো না ।মহেশখালীবাসিকে বদরখালীতে নেমে ডিঙ্গি করে মহেশখালীর পাড়ে নামতে হতো যেহেতু wdta অফিস বদরখালীর পাড়ে ছিল সঙ্গত কারণে মহেশখালী দ্বীপবিাসিকে এই কষ্টটি ভোগ করতে হয়েছে । ডা. মনসুর আহমদকে কক্সবাজারের থেকে প্রতি সপ্তাহে তার গ্রামের বাড়ীতে আসতে হতো তিনি কক্সবাজারে সরকারী চাকুরী করতো,তিনি এলাকার মানুষের কথা বিবেচনা করে wdta সাথে আন্দোলন মহেশখালী পারে ষ্টীমার ভিড়তে বাধ্য করে । সেই থেকে মহেশখালী পাড়ের ঘাটটির নাম হয় ধোয়া ঘাট ।ধোয়া ঘাট নাম করনের জানা যায় সেখানে কোন গাছগাছালি ও বসতি ছিলনা । সেই কারনে ধোয়া ঘাট নামে পরিচিতি লাভ করে ।ধোয়া ঘাট থেকে মহেশখালীর লোকালয় ছিল প্রায় দু কিলো মিটার এপথটি ছিল উপকুল জলকাদাময়, কোন সড়ক ছিলনা, কিছু জায়গায় পাহাড়ী পাথর ছিল । 

জন চলাচলে চরম দুভোগ করতে হতো ।তিনি নিজের টাকা দিয়ে এ পথে সড়ক র্নিমাণ করে দেন ,সড়কটি জনতা বাজার সড়ক নামে পরিচিতি ।১৯৮০ সালে পান চাষী অধিকার প্রতিষ্টা করতে বদরখালী সাপ্তাহিক হাটবাজার দিনে ধোয়াঘাটে জনতা বাজার প্রতিষ্টা করে ।জনতা বাজার প্রতিষ্টা করার পেছনে দুটি কারণ ছিল,১.বদরখালী সাপ্তাহিক হাটবাজার দিনে খেয়া নিয়ে মহেশখালীর জনগন মহেশখালী খালটি থেকে পার হতে হতো প্রতি মাসে খেয়া ডুবে অনেক মানুষের সলিল সমাধি হতো ।স্রোতের টানে অনেকে লাশ পাওয়া যেত না ।২.মহেশখালী পান চাষীরা বদরখালী বাজারে ন্যায্য মূল্য পেতো না ,তা ছাড়া পান চাষীদেরকে মারদর করা হতো । ডা. মনসুর আহমদ এসব দেখে জনতা বাজার প্রতিষ্টা করেন ১৯৮০ সালে । আজ জনতা বাজার এলাকায় ও জনতা বাজার সড়কে মহেশখালী ব্রীজ হয়েছে । তিনি এই এলাকায় উত্তর নলবিলাস্থ সাফকাটা টেইট্টা,নতুন চালিয়াতলী চিংড়ীঘের পরিচালনা কমিটির সভাপতি দায়িত্ব পালন করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে । জমির মালিকের ন্যায্যাধিকার প্রতিষ্ঠা,ঘের বা ঘোনা উন্নয়ন করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে ।দুবৃত্তরা চেয়েছে ঘের বা ঘোনা কমিটিকে বাতিল করে জোর করে চিংডী ঘের দখল করা ইদাদিং একই ষড়য্ন্ত্র শুরু হয়েছিল যেমনি হয়েছিল ১৯৮৬ সালে । সেই সময় এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৯৮৭ সালে ১৮ জুন,ইসলাম হত্যা হয় । ইসলাম ছিল ডা. মনসুরের ভাইপো,১৯৮৯ সনে সাপ্তাহিক বাজার দিনে ১৪ এপ্রিল ডা. মনসুরকে বাচাতে গিয়ে ছৈয়দ মিয়া নিহত হয় । ছৈয়দ মিয়া ছিল ডা. মনসুরের আপন মামাতো ভাই । দুটি মামলায় ডা. মনসুরকে ১নং আসামী করা হয় তখনকার সময়ে মহেশখালীর থানা ওসি ছিল আবদু রউফ ও শহিদ । ১৯৮৭ সালে ২৭ এপ্রিল পিতাপুত্রে মারামারিতে জব্বার নামেেএক ব্যাক্তি মারা যায় ।সেই মামলায় ডা. মনসুর ও তার ভাইপো হাসান বশিরকে আসামী করা হয় । এগুলোর মুলে ছিল ডা. মনসুরকে চিংড়ীঘের পরিচালনা কমিটির পদ থেকে সরানো সেই সময়কার দুবৃত্তদের ষড়যন্ত্র সফল হয়ে ছিল ।ডা. মনসুরসহ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ ১৪০ মাস হাজত কাটতে হয় ।১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত এখন আবার চিংডী ঘের নিয়ে দুর্বত্তদের সড়যন্ত্র শুরু হয়েছে এবং থানাকে তারা ১৯৮৬ সালের মতো বিভ্রান্তি করা চেষ্টা করছে । যারা এই হীন কাজ করছে তাদের সর্তক করছি । এখন অবাধ মিড়িয়া ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক রয়েছে ।বেশি বাড়াবাড়ি করলে কলম সৈনিকরা বৃদ্ধা আঙ্গুল চুষবেনা । চিংড়ীঘের পরিচালনা কমিটির নির্বাচন সুষ্টভাবে হোক । লীজ গ্রহনকারীকে জমির মালিকদের টাকা দিতে হবে । এটাকে মগের মল্লুক আর করতে দেয়া যায় না । সাধারণ মানুষকে রাস্তায় নামতে বাধ্য না করার জন্য অনুরোধ করছি ।

0 comments:

Post a Comment