Home » » ৫ ফেব্রুয়ারী আমার জীবনের সাঁতার দিবস –ওচমান জাহাঙ্গীর

৫ ফেব্রুয়ারী আমার জীবনের সাঁতার দিবস –ওচমান জাহাঙ্গীর

Written By grameenphoto on Wednesday, 4 February 2015 | 05:21


জীবনের সাঁতারে লক্ষ্যে পৌছতে
৫ ফেব্রুয়ারী আমার জীবনের সাঁতার দিবস –ওচমান জাহাঙ্গীর
আজ ৫ ফেব্রুয়ারী সাঁতার দিবস ,এই দিনে ১৯৯০ সালে মহেশখালী প্রবাহ ( দেবতলী নদী যা বঙ্গোপসাগরের মুল প্রবাহের জোয়ার ভাটার নদী ) সাঁত্যারে পাড়ি দিয়ে গ্রেপ্তার এড়াতে পেরেছিলাম,সেই দিন আমি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলে শিক্ষাক্ষেত্রে আমার উচ্চতর ডিগ্রি নেয়া সম্ভব হতো না । যারা গ্রেপ্তার হয়েছিল তাদের জীবন যেন পথে থেমে গেছে, যেমন আমার চাচতো ভাই রুহুল কাদের ও নুরমোহাম্মদ (প্রয়াত),১৯৮৯ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত জেলহাজতে ছিল । রুহুল কাদের জেলথেকে মুক্তি পেয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারেনি। আর আমি পলাতক থেকে প্রায় ৯ বছর পর ১৯৯২ সালে বহুকষ্টে এইচ এস সি পাশ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতি বিজ্ঞানে অর্নাস ও মার্ষ্টাস করে । তাই ৫ ফেব্রুয়ারী আমার জন্য সাতাঁর দিবস,জীবনের সাঁতারে লক্ষ্যে পৌছতে পেরেছিলাম।
উল্লেখ্য যে,১৯৮৯ সালে ১৪ এপ্রিল ৭ রম

জান শুক্রবার মহেশখালী জনতা বাজারে সাপ্তাহিক হাটবাজারে হাজারো মানুষের সামনে স্থানীয় কামাল হোছাইন কতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য তার লাইসেন্সধারী দুনলা বন্দুক দিয়ে আব্বাকে লক্ষ্যে করে দুটি গুলি করে এসময় বাঁধা দিতে গিয়ে কামালের চাচতো ভাই ছৈয়দ মিয়া গুলিতে আহত হয় । হাসপাতাল নেয়ার পথে সেইরাতে তিনি মারা যায়।ছৈয়দ হত্যা মামলায় পুলিশ কামাল হোছাইনকে বাদী সাজিয়ে আব্বা আমিসহ আমাদের পরিবারের ১৭ জন্য সদস্যদের আসামী করে ৪৫ দিনের ভিতরে চার্জসীট দিয়ে দেয় ।আমাদের ধান চাষের জমি ও লবন মাঠে লবন উৎপাদন বন্ধ করে দেয় আমাদের প্রতিপক্ষরা আব্বা তখন কক্সবাজার জেলে ।মামলা চালানোর মতো আমাদের টাকা ছিলনা । উল্লেখ্য যে ১৯৯০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী চার বছর ধরে গর্তে পড়ে লবণ বিক্রি করতে গেলে জনতাবাজারে জয়নালের চাচা আমানতউল্লাহ আমাকে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করতে চেষ্টা করে । আমি সেইদিন মহেশখালী প্রবাহে নেমে পুলিশ অফিসার নুরুল হুদাকে উদেশ্যে বলি আমরা খুন করিনি যিনি বাদী তিনি খুনি । প্রকাশ্যে বাজারে ১৮৮৯ সনে আমার আব্বা ডা.মনছুরকে বাচাতে গিয়ে ছৈয়দ মিয়া খুন হয় মামলার বাদী কামাল হোছাইন। আমি সাতরিয়ে নদী ওপারে চলে যাই ।সেইদিন আমার মা আমার গ্রেপ্তারের কথা শুনে জনতার বাজার ধোয়াঘাটে ( এক সময়কার ষ্টীমার ঘাট) চলে আসে ।তিনি পুলিশের সাথে প্রায় বাড়াবাড়ি করে ফেলে । পুলিশ মাকে বুঝিয়ে বলে । পুলিশ সমস্থ ঘটনার জানার পর আমাদেরকে লবণ মাপার ঘোষনা দিয়ে চলে যায় । ১৯৯০ এর আমাদের লবণ উৎপাদন ও বিক্রি করতে পারি ।
আজ ৫ ফেব্রুয়ারী সাঁতার দিবস ,এই দিনে ১৯৯০ সালে মহেশখালী প্রবাহ ( দেবতলী নদী যা বঙ্গোপসাগরের মুল প্রবাহের জোয়ার ভাটার নদী ) সাঁত্যারে পাড়ি দিয়ে গ্রেপ্তার এড়াতে পেরেছিলাম,সেই দিন আমি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলে শিক্ষাক্ষেত্রে আমার উচ্চতর ডিগ্রি নেয়া সম্ভব হতো না । যারা গ্রেপ্তার হয়েছিল তাদের জীবন যেন পথে থেমে গেছে, যেমন আমার চাচতো ভাই রুহুল কাদের ও নুরমোহাম্মদ (প্রয়াত),১৯৮৯ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত জেলহাজতে ছিল । রুহুল কাদের জেলথেকে মুক্তি পেয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারেনি। আর আমি পলাতক থেকে প্রায় ৯ বছর পর ১৯৯২ সালে বহুকষ্টে এইচ এস সি পাশ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতি বিজ্ঞানে অর্নাস ও মার্ষ্টাস করে । তাই ৫ ফেব্রুয়ারী আমার জন্য সাতাঁর দিবস,জীবনের সাঁতারে লক্ষ্যে পৌছতে পেরেছিলাম। উল্লেখ্য যে,১৯৮৯ সালে ১৪ এপ্রিল ৭ রমজান শুক্রবার মহেশখালী জনতা বাজারে সাপ্তাহিক হাটবাজারে হাজারো মানুষের সামনে স্থানীয় কামাল হোছাইন কতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য তার লাইসেন্সধারী দুনলা বন্দুক দিয়ে আব্বাকে লক্ষ্যে করে দুটি গুলি করে এসময় বাঁধা দিতে গিয়ে কামালের চাচতো ভাই ছৈয়দ মিয়া গুলিতে আহত হয় । হাসপাতাল নেয়ার পথে সেইরাতে তিনি মারা যায়।ছৈয়দ হত্যা মামলায় পুলিশ কামাল হোছাইনকে বাদী সাজিয়ে আব্বা আমিসহ আমাদের পরিবারের ১৭ জন্য সদস্যদের আসামী করে ৪৫ দিনের ভিতরে চার্জসীট দিয়ে দেয় ।আমাদের ধান চাষের জমি ও লবন মাঠে লবন উৎপাদন বন্ধ করে দেয় আমাদের প্রতিপক্ষরা আব্বা তখন কক্সবাজার জেলে ।মামলা চালানোর মতো আমাদের টাকা ছিলনা । উল্লেখ্য যে ১৯৯০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী চার বছর ধরে গর্তে পড়ে লবণ বিক্রি করতে গেলে জনতাবাজারে জয়নালের চাচা আমানতউল্লাহ আমাকে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করতে চেষ্টা করে । আমি সেইদিন মহেশখালী প্রবাহে নেমে পুলিশ অফিসার নুরুল হুদাকে উদেশ্যে বলি আমরা খুন করিনি যিনি বাদী তিনি খুনি । প্রকাশ্যে বাজারে ১৮৮৯ সনে আমার আব্বা ডা.মনছুরকে বাচাতে গিয়ে ছৈয়দ মিয়া খুন হয় মামলার বাদী কামাল হোছাইন। আমি সাতরিয়ে নদী ওপারে চলে যাই ।সেইদিন আমার মা আমার গ্রেপ্তারের কথা শুনে জনতার বাজার ধোয়াঘাটে ( এক সময়কার ষ্টীমার ঘাট) চলে আসে ।তিনি পুলিশের সাথে প্রায় বাড়াবাড়ি করে ফেলে । পুলিশ মাকে বুঝিয়ে বলে । পুলিশ সমস্থ ঘটনার জানার পর আমাদেরকে লবণ মাপার ঘোষনা দিয়ে চলে যায় । ১৯৯০ এর আমাদের লবণ উৎপাদন ও বিক্রি করতে পারি ।

0 comments:

Post a Comment