শ্রাবন সন্ধ্যায়
বৃষ্টির ঝরনায়
তুমি উদাস হয়ে বলো আমায়।
কিছুক্ষণ রহিতে কাছে
কথাগুলে বলিতে যা ছিল মোর পাছে।
তুমি উদাস হয়ে বলো আমায়।
কিছুক্ষণ রহিতে কাছে
কথাগুলে বলিতে যা ছিল মোর পাছে।
--------------------
মিথ্যার উপর দাড়িয়ে যে দম্ভ
জন মানুষ! তা শুনে হতবম্ভ!
তারপর আসিলো গুজব,
এ কারণে অনেকের গেল প্রান,
তারপর আসিলো গজব,
ডেঙ্গুর মহামারিতে গেল জান।
জন মানুষ! তা শুনে হতবম্ভ!
তারপর আসিলো গুজব,
এ কারণে অনেকের গেল প্রান,
তারপর আসিলো গজব,
ডেঙ্গুর মহামারিতে গেল জান।
তবুও আমরা নমরুদ,
চারিদিকে ক্ষোভ আর ক্রোধ,
থামিলো না গণ হত্যা,
প্রেস নোটের চলমান মিথ্যা।
চারিদিকে ক্ষোভ আর ক্রোধ,
থামিলো না গণ হত্যা,
প্রেস নোটের চলমান মিথ্যা।
---------
শরীরের
অক্ষমতায়,
মনের সক্ষমতাও হারায়,
দুমানবীয় জীবনে ফাটল ধরায়
আমি ফাটলের তালে পা বাড়াই,
ভবিষ্যৎ নির্মানের আশা অনেক আগে হারাই।
প্রতিটি দুর্ঘটনায় আমার দোষ এসে যায়,
তবু অসমের সাথে বসবাসের মাত্রা ছড়ায়।
মনের সক্ষমতাও হারায়,
দুমানবীয় জীবনে ফাটল ধরায়
আমি ফাটলের তালে পা বাড়াই,
ভবিষ্যৎ নির্মানের আশা অনেক আগে হারাই।
প্রতিটি দুর্ঘটনায় আমার দোষ এসে যায়,
তবু অসমের সাথে বসবাসের মাত্রা ছড়ায়।
------------------
সারাদিনের কর্ম
শেষে
দিনের অপরাহৃে
পৃথিবীর বারান্দায়
টেউয়ের গর্জন শুনে
বালুকা বেলায়
ঝিনুক চাদরে
একটু অবসরে
দিনের ক্লান্তি শেষে।
দিনের অপরাহৃে
পৃথিবীর বারান্দায়
টেউয়ের গর্জন শুনে
বালুকা বেলায়
ঝিনুক চাদরে
একটু অবসরে
দিনের ক্লান্তি শেষে।
আকাশ কাঁদিলো,
ব্যঙ ঝিঝি ডাকিলো
দেয়া মাতিলো,
এত জল ঝরিলো
সব কিছু ডুবিলো,
ভিজিলো সব ভিজিলো,
রক্তের বন্ধন চিরন্তন রইলো।
ব্যঙ ঝিঝি ডাকিলো
দেয়া মাতিলো,
এত জল ঝরিলো
সব কিছু ডুবিলো,
ভিজিলো সব ভিজিলো,
রক্তের বন্ধন চিরন্তন রইলো।
সাগর পাড়ে
বৃষ্টির ফাঁকে
বোন ডলির সাথে।
ছবি উঠলো সেলফিতে।
বৃষ্টির ফাঁকে
বোন ডলির সাথে।
ছবি উঠলো সেলফিতে।
-----------------
দেখভাল
----------
আমাকে দেখভাল করিতে,
হলে পেরেশান!
দেখো সদয়ের চোখে মোরে,
ক্ষনিকের সময়ে তোমাদের তরে,
গলগ্রে এ আমার অভিমান।
কারো সংসারে -
আমি হতে চাই না, তৃতীয় পক্ষ,
শকুনিমামার অপবাদের দুঃখ,
ক্ষমা করো প্রভু, তোমার দুনিয়া
অন্যায় অবিচার সয়েছি দেখিয়া শুনিয়া,
কারো উপর নির্ভরতা করোনা আমায়,
নিরবে নিবৃতে এ ধরা সব সময় কাঁদায়।
লুটেপুটে খাক,করুক আমায়
বঞ্চিত,
আমার প্রার্থনা অর্ন্তরযামীর কাছে সঞ্চিত,
সব ছাড় দেওয়া!
আমার নহে দুর্বলতা,
এআমার মানবিকতা
---------------
আজি আকাশে নেই সূর্য
বারিধারা অনবরত, কর্জ
বারিধারা অনবরত, কর্জ
করিতে বৃস্টি না হওয়ার শোধ,
আষাঢ়ী মাসের শেষদিকে এ বোধ।
আষাঢ়ী মাসের শেষদিকে এ বোধ।
বৃস্টিস্নাত দিনের আলো নিভু নিভু
ঝুম বৃস্টি থামেনা কভু,থামেনা কভু।
ঝুম বৃস্টি থামেনা কভু,থামেনা কভু।
প্লাবনে ডুবে সব,ভাংগনে
পাহাড় ধস,
বৃক্ষের পাতায় বৃস্টির নাচন, করে উল্লাস,
জম্ম বৃত্তান্তে সৃষ্টির বাচন,মন যেন উদাস।
বৃক্ষের পাতায় বৃস্টির নাচন, করে উল্লাস,
জম্ম বৃত্তান্তে সৃষ্টির বাচন,মন যেন উদাস।
ইদানীং
ইদানীং আমার চুল,
হয়ে যাচ্ছে ঝাকড়ানো,
কাজের পসরাত অনেক ভুল।
কিছুতেই মাথা স্থির না,
মনকে যাচ্ছে না বুঝানো।
কেন আমি অধিকার বঞ্চিত?
পৈত্রিক, আর রাষ্ট্রিয় কর্তৃক,
ব্যাংক বীমা নেই অর্থ, সঞ্চিত।
হয়ে যাচ্ছে ঝাকড়ানো,
কাজের পসরাত অনেক ভুল।
কিছুতেই মাথা স্থির না,
মনকে যাচ্ছে না বুঝানো।
কেন আমি অধিকার বঞ্চিত?
পৈত্রিক, আর রাষ্ট্রিয় কর্তৃক,
ব্যাংক বীমা নেই অর্থ, সঞ্চিত।
বলার অধিকার, পাওয়া
অধিকার
চারিদিগকে থেকে পাই ধিক্কার,
অনেকে আমার মৃত্যু কামনায়,
শত চেষ্টায় ঠেলে দেয় যাতনায়।
চারিদিগকে থেকে পাই ধিক্কার,
অনেকে আমার মৃত্যু কামনায়,
শত চেষ্টায় ঠেলে দেয় যাতনায়।
দেড় যুগ ঘর হারাদের দলে আমি,
বেঁচে আছি, সহায় ছিলেন অর্ন্তযামী।
বিশ্বালয়ের মালিক তিনি,
রিজিকের সম্মানের,
সষ্ট্রার ক্ষুদ্র সৃষ্টি আমি,
আমার সেজদা তারি গোলামীর।
বেঁচে আছি, সহায় ছিলেন অর্ন্তযামী।
বিশ্বালয়ের মালিক তিনি,
রিজিকের সম্মানের,
সষ্ট্রার ক্ষুদ্র সৃষ্টি আমি,
আমার সেজদা তারি গোলামীর।
বন্দীশালার এ
ঘর
ওচমান জাহাং্গীর
ওচমান জাহাং্গীর
সংসারে এখনো পুরানো প্রেম তাড়া দেয়,
কলমে আর কোন চিঠি লেখার তাড়া নেই,
তিন যুগ আগে লিখিছি কলমের সেই প্রেম পত্র,
উত্তরও মিলে,পোস্ট অফিস জানান দেয়,
কলমে আর কোন চিঠি লেখার তাড়া নেই,
তিন যুগ আগে লিখিছি কলমের সেই প্রেম পত্র,
উত্তরও মিলে,পোস্ট অফিস জানান দেয়,
জীবনে উঠতি
সময়ে,ভাবনাগুলো মনে
হতো
সারা জনম ব্যাপী,এ ছাড়া সবি বৃথা যেতো।
সংসারে এসে মোর, ভাংলো ঘোর,
অতীতেই সেই প্রেম ছিল, বড় এলোমেলো।
সারা জনম ব্যাপী,এ ছাড়া সবি বৃথা যেতো।
সংসারে এসে মোর, ভাংলো ঘোর,
অতীতেই সেই প্রেম ছিল, বড় এলোমেলো।
এসময় পোস্ট অফিস, কলমের ব্যবহার নেই,
জীবনের তরে প্রেমের বন্ধন,
এ সংসারে সে আসার সুযোগ নেই।
তারও সংসার আছে, আছে তার বংশধর,
দায়িত্বের বেড়াজালে, এক বন্দী শালার এ ঘর,
জীবনের তরে প্রেমের বন্ধন,
এ সংসারে সে আসার সুযোগ নেই।
তারও সংসার আছে, আছে তার বংশধর,
দায়িত্বের বেড়াজালে, এক বন্দী শালার এ ঘর,
নির্মম বাঁধনে
ওচমান জাহাঙ্গীর
ওচমান জাহাঙ্গীর
আজি বরষনে দিনে
কয় ফোটা অশ্রু জল,
গড়িয়ে পড়ে
তোমায় বিহনে,
পাতা সব নড়ে,
বৃষ্টির ফোটার তালে।
কয় ফোটা অশ্রু জল,
গড়িয়ে পড়ে
তোমায় বিহনে,
পাতা সব নড়ে,
বৃষ্টির ফোটার তালে।
কেন বাঁধিলে, নির্মম বাঁধনে
আজি বরষনে দিনে,
কলমি লতা হয়ে শরীরে,
আজি বরষনে দিনে,
কলমি লতা হয়ে শরীরে,
তোমার বিরহে,
আকাশে মেঘমালা,
ঝর্ণার মতন অশ্রু ধারা
আকাশে মেঘমালা,
ঝর্ণার মতন অশ্রু ধারা
-----Osman Zahangir
গন ইচ্ছার দমন
ওচমান জাহাঙ্গীর
ওচমান জাহাঙ্গীর
গণ ইচ্ছার দমন,
বিবেকের শরম
গণাধিকার গগণে গমন।
মত প্রকাশে শৃংখল
মনেতে বন্দীত্বের অনল,
জনবাসনার আপদ বিপদ,
বন্দীদের কপালে, লৌহ কপাট,
রাজনীতির দাবী এখন চল
বন্দীত্বে শৃংখল,
কত দুর ভালবাসার অঞ্জলী,
পরাধীনতা সময়ের কবিতা পাঞ্জেরী।
লাইনে ধরে রোদ পোহাবে
ভোটের আশা, শুধু খোয়াবে।
মনের ইচ্ছা শুধু মনেতে,
দ্বিদল গেলো রসতলে।
বিবেকের শরম
গণাধিকার গগণে গমন।
মত প্রকাশে শৃংখল
মনেতে বন্দীত্বের অনল,
জনবাসনার আপদ বিপদ,
বন্দীদের কপালে, লৌহ কপাট,
রাজনীতির দাবী এখন চল
বন্দীত্বে শৃংখল,
কত দুর ভালবাসার অঞ্জলী,
পরাধীনতা সময়ের কবিতা পাঞ্জেরী।
লাইনে ধরে রোদ পোহাবে
ভোটের আশা, শুধু খোয়াবে।
মনের ইচ্ছা শুধু মনেতে,
দ্বিদল গেলো রসতলে।
বৃষ্টির দেখা
নেই
ভাংগা ছাতাটি
মেরামত করি নাই,
ভাংগা ছাতাটি
মেরামত করি নাই,
বৃষ্টির জন্য ছাতার কাঁদন,
পাতা নূয়ে যায়,গরমে দেয় কাপন।
পাতা নূয়ে যায়,গরমে দেয় কাপন।
বর্ষায় এ
কিসের উত্তাপ?
এ যেন চৈত্রের খরতাপ।
এ যেন চৈত্রের খরতাপ।
ধূসর আকাশে রংধনু,
আশ্বিনের মতে
বৃষ্টির ঝরে অনু অনু,
আশ্বিনের মতে
বৃষ্টির ঝরে অনু অনু,
রঙ্গিণ বিজলি ঝরির চাদর,
কখন সরে, হয়ে যাই দিগম্বর।
কখন সরে, হয়ে যাই দিগম্বর।
ইচ্ছার সহনে
ওচমান জাহাঙ্গীর
ওচমান জাহাঙ্গীর
মনেতে অস্তিরতা,ঘুমোট ধরা উপ্তাপ
চোখে কোণেতে অশ্রূ সাথে রক্তচাপ।
মানবতার মত দেবার অধিকার হারা,
মানুষ আশাহত, দিশহারা,
সূখ খোজে খোজে জীবন সারা।
চোখে কোণেতে অশ্রূ সাথে রক্তচাপ।
মানবতার মত দেবার অধিকার হারা,
মানুষ আশাহত, দিশহারা,
সূখ খোজে খোজে জীবন সারা।
বজ্রঘাতে উচ্চ
শির নুয়ে পড়া,
মন বেঁধেছে,চোখে বেঁধে হাতকড়া,
দেবতার উপাসালয়ে অশুরে তরবারি।
কোথাও নিরাপদে থাকার উপায় নেই,
নিয়ম বিবেক হীনের যাত্রা পালার খেই।
মন বেঁধেছে,চোখে বেঁধে হাতকড়া,
দেবতার উপাসালয়ে অশুরে তরবারি।
কোথাও নিরাপদে থাকার উপায় নেই,
নিয়ম বিবেক হীনের যাত্রা পালার খেই।
জনমে তরে কেন রাখিলে,
উর্ব্বর শরীরে,
শশীর কিরণ কেন মাখিলে,
শুক্লা তিথির পূর্ণিমার জোয়ারে
আমায় ভাসাইলে,
নির্ঝর নিরন্তন বাসনা ডুবাইলে।
উর্ব্বর শরীরে,
শশীর কিরণ কেন মাখিলে,
শুক্লা তিথির পূর্ণিমার জোয়ারে
আমায় ভাসাইলে,
নির্ঝর নিরন্তন বাসনা ডুবাইলে।
নিখিল ভুবনে তোমারই হাতে
আমার দিনগুলো যাপিতে
নির্দয় নিঠুর পক্ষপাতে
সময়ের ব্যর্থ মূহুর্ত আামার সাথে।
আমার দিনগুলো যাপিতে
নির্দয় নিঠুর পক্ষপাতে
সময়ের ব্যর্থ মূহুর্ত আামার সাথে।
কত রজনী পেরেলো তুমি বিহনে
রুপ হেরিতে পরশিতে ইচ্ছার সহনে।
নিজের অপরুপ ছায়া তোমার দেহেতে,
মানবিক মোহে, তোমাতে হেরে যেতে।
রুপ হেরিতে পরশিতে ইচ্ছার সহনে।
নিজের অপরুপ ছায়া তোমার দেহেতে,
মানবিক মোহে, তোমাতে হেরে যেতে।
পর্দার নামে বেসাতি
নগর বাতায়নে
পর্দার নামে বেসাতি
ইজ্জতের দোহায়ে, ধর্মের নামে বজ্জাতি
তারা নিজেদের লুকায়
যদি চিনে ফেলে?
ধরা খেলে মূখ শুকায়।
মূখোসের আড়ালে
তাদের কত ফান্দি
দোষে নিজেকে লুকালে।
পুলিশে অভিযানে মাঝে মধ্যে হয় বন্দী।
ইজ্জতের দোহায়ে, ধর্মের নামে বজ্জাতি
তারা নিজেদের লুকায়
যদি চিনে ফেলে?
ধরা খেলে মূখ শুকায়।
মূখোসের আড়ালে
তাদের কত ফান্দি
দোষে নিজেকে লুকালে।
পুলিশে অভিযানে মাঝে মধ্যে হয় বন্দী।
কেন খোঁপায় বাঁধিলে
ওচমান জাহাঙ্গীর
ওচমান জাহাঙ্গীর
কেন মনকে, খোঁপায়
বাঁধিলে,
ও রাধি গো,চোখের মনিতে,
আলোর ফ্রেমে কেন সাঁধিলে?
রায় হয়ে যমুনার জলে,
কি রুপ হেরি গো?
ঐ জলের ছায়ায়,
কী ছবি দেখি গো।
চারি দিকে টি টি গো,
দুচোখ জলে টয়টম্বুর
পাব কি করে গো,
তুমি না হও স্বয়ংম্বর।
ও রাধি গো,চোখের মনিতে,
আলোর ফ্রেমে কেন সাঁধিলে?
রায় হয়ে যমুনার জলে,
কি রুপ হেরি গো?
ঐ জলের ছায়ায়,
কী ছবি দেখি গো।
চারি দিকে টি টি গো,
দুচোখ জলে টয়টম্বুর
পাব কি করে গো,
তুমি না হও স্বয়ংম্বর।
তোমরা আসার পথে
আমি আলোর ফেরিওয়ালা
আকাশে বিজলি ঝরির ফিতা,
বাতাসে আমন্ত্রণে বিনি সূতা
হৃদ নাটায়ের ঘূড়ি তোমার হাতে।
আমি আলোর ফেরিওয়ালা
আকাশে বিজলি ঝরির ফিতা,
বাতাসে আমন্ত্রণে বিনি সূতা
হৃদ নাটায়ের ঘূড়ি তোমার হাতে।


0 comments:
Post a Comment